প্রকাশ: রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:১৩ এএম আপডেট: ২১.০৬.২০২৬ ৭:১৩ পিএম

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এ সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।
সফরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে শ্রমবাজারে সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিত করার বিষয়টি।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা শোভা পাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও সফরকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী কুয়ালালামপুরের শাংগ্রি-লা হোটেলে অবস্থান করবেন। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল সফরে অংশ নিচ্ছেন।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ সফরের মাধ্যমে শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি অনিয়মিত কর্মীদের বৈধতার সুযোগ বাড়লে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। দেশটির বিভিন্ন খাতে তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সফরের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
জ/উ