প্রকাশ: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৫:৫২ পিএম

সীমান্তে অনিয়মিতভাবে মানুষ পাঠানোর (পুশইন) ঘটনা বন্ধে ভারত সরকারকে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে এবং আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন অনুসরণ না করে কাউকে পাঠানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশের অবৈধভাবে অবস্থানকারী নাগরিককে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই যেকোনো প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তসংক্রান্ত যেকোনো বিষয় পারস্পরিক সমঝোতা ও প্রতিষ্ঠিত নিয়মের ভিত্তিতে সমাধান করা প্রয়োজন। এ ধরনের ঘটনা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে দেশের ২৬টি জেলার সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চার পালায় ২৪ ঘণ্টা সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বিজিবি ও বিএসএফের ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলা এ বৈঠকে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, সীমান্তে হতাহতের ঘটনা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, চলমান এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।