প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সমঝোতা স্মারকে সই হয়।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বৈঠকের পর অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, শান্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও তুরস্ক। মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, তুরস্ককে বাংলাদেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে তুরস্কের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আঙ্কারার আরও সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা কামনা করেছে ঢাকা।
এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ায় তুরস্কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।
হাকান ফিদান জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তুরস্ক সহযোগিতার পরিধি বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ উদারতা ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে তুরস্ক কাজ করে যাবে।
জ/দি