প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ পিএম

পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জৈব বালাইনাশক এবং প্রাকৃতিক কীট-পতঙ্গ দমন পদ্ধতির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির ৯০তম বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো বালাইনাশকের ব্যবহার অবশ্যই বিজ্ঞানভিত্তিক হতে হবে। মাটি ও জলজ বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রেখে বালাইনাশকের উৎপাদন, অনুমোদন, বিপণন ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জৈব বালাইনাশকের উৎপাদন ও ব্যবহারে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষিকে রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত করা গেলে দেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী হবে। সরকারের লক্ষ্য কৃষিকে শিল্পায়িত ও রপ্তানিমুখী পর্যায়ে উন্নীত করা। এ জন্য আন্তর্জাতিক বাজারকে নিশ্চিত করতে হবে যে, দেশে উৎপাদিত কৃষিপণ্য স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের আবহাওয়া, মাটি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিশ্বের অন্যতম সেরা কৃষিপণ্য উৎপাদনের উপযোগী। তবে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
দেশে বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে পেস্টিসাইডের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণে এ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মাটিকে ভারী ধাতুমুক্ত রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে বিদ্যমান মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুছ ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।
জ/দি