প্রকাশ: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১:২০ পিএম

কফির তিক্ততা কমাতে অনেকেই এক চিমটি লবণ যোগ করে ব্ল্যাক কফি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্বাদের ভারসাম্য আনার একটি প্রচলিত কৌশল হলেও এর আলাদা কোনো বড় পুষ্টিগুণ নেই।
লবণ কফিতে কী পরিবর্তন আনে
এক চিমটি লবণ কফির তিক্ততা কিছুটা কমিয়ে স্বাদকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। তবে এটি কফির স্বাস্থ্য উপকারিতা বাড়ায় না। কফিতে স্বাভাবিকভাবে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপকারী যৌগই এর প্রধান স্বাস্থ্যগুণের উৎস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কফিতে যে পরিমাণ লবণ সাধারণত যোগ করা হয়, তা শরীরে উল্লেখযোগ্য কোনো পুষ্টিগুণ যোগ করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাই এটিকে স্বাস্থ্য সম্পূরক হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
বৈজ্ঞানিক গবেষণা কী বলছে
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কফি পানকারীদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে। এর সঙ্গে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্যের উন্নতির সম্পর্ক থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে এসব উপকারের সঙ্গে লবণ যোগ করার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
কারা লবণ দেওয়া কফি এড়িয়ে চলবেন
উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা কিডনির সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের লবণযুক্ত কফি নিয়মিত না খাওয়াই ভালো। কারণ অতিরিক্ত সোডিয়াম ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
যাদের কফি খেলে পেটের অস্বস্তি হয়, তাদের ক্ষেত্রে লবণ যোগ করার চেয়ে ক্যাফেইন কমানো, খালি পেটে কফি না খাওয়া বা কম অ্যাসিডিক কফি বেছে নেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে।
শেষ কথা
লবণ দিয়ে কফির স্বাদ কিছুটা বদলানো গেলেও এর স্বাস্থ্যগত সুবিধা খুব সীমিত। কফির প্রভাব মূলত নির্ভর করে এর পরিমাণ, ক্যাফেইনের প্রতি ব্যক্তিগত সহনশীলতা এবং সামগ্রিক জীবনযাপনের ওপর।
জ/উ