প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:২১ পিএম

বিগত ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুসরণ করা ও প্রাণনাশের হুমকি বর্তমানে আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘদিনের মানুসিক হয়রানি থেকে মুক্তি দিতে ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম সুমন। এক্ষেত্রে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আজ ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নীচতলার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানান।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ী সুমনের মা শেফালী বেগম ও তার বন্ধু এটিএম গোলাম মোস্তফা রঞ্জুসহ অন্যান্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রেজাউল ইসলাম সুমন জানান, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন সক্রিয় কর্মী এবং তার প্রয়াত পিতা সিরাজুল ইসলাম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। গত ২০২৩ সালের আগস্ট তাকে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে তিন দিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এই ঘটনার পর নিরাপত্তার অভাবে তার স্ত্রী ও সন্তানরা দেশ ত্যাগে বাধ্য হন এবং পরবর্তীতে তিনিও বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে তিনি আশার আলো দেখে দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু অতি সম্প্রতি ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর-১ ও ২ আসনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে কাজ শুরু করলে আবারও তাকে অনুসরণ ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন শুরু করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এ বিষয়ে তিনি গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ৩০৮) করেছেন।
রেজাউল ইসলাম সুমন আরও জানান, আমি এবং আমার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি বর্তমান সরকারের প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এবং তার নিজের ও তার পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানান তিনি।