পানিফল চাষে ভাগ্য বদলাচ্ছে নকলার কৃষকরা
মাহদি হাসান, নকলা(শেরপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:০১ পিএম

নামমাত্র শ্রম ও অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় শেরপুরের নকলায় দিন দিন বাড়ছে পানিফলের চাষ। পানি নিষ্কাশিত না হওয়া জলাবদ্ধ এলাকায় অন্য কোন আবাদ করা সম্ভব নয়, এমন পতিত জমিতে খুব সহজেই পানিফল চাষ করা যায়। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে এই ফল চাষে আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে বাণিজ্যিক ভাবেও পানিফল চাষে ঝুঁকছেন নকলার কৃষকরা। এতে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া অনেক প্রান্তিক কৃষকদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা।

নেত্রকোনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

চাষীরা জানান, পানিফল মানুষের কাছে অতি পরিচিত। এ ফল চাষের জমি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ডোবা, বদ্ধ জলাশয় বা মাছের ঘেরের মতো সুবিধাজনক স্থান। পানিফল গাছ কচুরিপানার মতো পানির উপরে ভেসে থাকে। এর শেকড় থাকে পানির নিচে ও পাতা পানির উপরে ভাসে। পানিফল কচি অবস্থায় লাল, পরে সবুজ ও পরিপক্ক হলে কালো রং ধারণ করে। ফলটির খোসা ছাড়ালেই পাওয়া যায় হৃৎপিন্ডাকার বা ত্রিভুজাকৃতির নরম সাদা শাস। কাঁচা ফলের এ নরম শাসটি খেতে বেশ সুস্বাদু।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পাঠাকাটা, চরঅষ্টধর, চন্দ্রকোনা, উরফা, গণপদ্দী ও বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বানিজ্যিক ভাবে পানিফল চাষ করা হয়েছে। তবে ৬ নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের কৈয়াকুড়ি, পলাশকান্দি, দশকাহনিয়া, ও নামা কৈয়াকুড়ি এলাকায় বেশি চাষ করা হয়েছে। পানি যত বেশি হয় ফলন তত ভালো হয় বলে জানান চাষীরা। 

ধর্ম 'অবমাননা': সমালোচনার মধ্যে ময়মনসিংহে সংস্কৃতিকর্মী আটক

অনেক প্রান্তিক চাষী অন্যের জমি বর্গা নিয়ে বা বাৎসরিক চুক্তি নিয়ে সেখানে পানিফল চাষ করে স্বাবলস্বী হয়েছেন। একবিঘা জমিতে পানিফল চাষে গড়ে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ থাকে। কৃষি বিভাগের পৃষ্ঠ পোষকতা বাড়ালে ও সহজ শর্তে কৃষি ঋণ পেলে দেশের জলাবদ্ধ অনাবাদী ভূমিতে পানিফল চাষের মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলে অনেকে মন্তব্য করেন। এইফল আবাদের সঠিক পরিমাণের তথ্য না থাকলেও উপজেলাতে এবছর প্রায় শত একর জমিতে পানিফল চাষ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে।

নেত্রকোনায় ‘তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহরিয়ার মুরসালিন মেহেদী জানান, পানিফল রাসায়নিক  সার ও কীটনাশক মুক্ত হওয়ায় এটি নিরাপদ। জলাবদ্ধ যে সব জমিতে আমন ধান বা অন্যান্য আবাদ করা  সম্ভব নয়, সেসব জমিতে পানিফল চাষ করে প্রান্তিক কৃষকরা তাদের দিনবদল করতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।

জ/উ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


Also News   Subject:  শেরপুর   জলাবদ্ধ   পানিফল   আর্থিক  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft