প্রকাশ: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৯:১৬ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামের আবদুল সাত্তার নামে এক জুলাই যোদ্ধা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুরুতর আহত হয়েও এখনোও গেজেটভুক্ত হতে পারেননি। তিনি ওই গ্রামের আবদুল হাদী ও মর্জিনা খাতুন দম্পতির ছেলে।
২০২৪ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের লোহারপুল এলাকায় সন্ত্রাসী নাজিম উদ্দিন মিকন চেয়ারম্যানের নির্দেশে যুবলীগ-ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী মামুন, অন্তর, হৃদয়ের নেতৃত্বে বর্বরোচিত হামলায় তিনি মারাত্মক ভাবে জখম হন। তার ডান হাত ভেঙে দেওয়ায় তিনি ওই হাতে এখনও লোহার রড বয়ে বর্ণনাতীত কষ্টকর সময় অতিবাহিত করছেন। যাহা পুনরায় অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণ করা প্রয়োজন। বর্তমানে তিনি প্রতিনিয়ত শারীরিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার ছাড়া তার সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু অদ্যাবদি তিনি সরকার কর্তৃক প্রকাশিত আহতদের তালিকায় নাম পাননি।
একই এলাকার জুলাই যোদ্ধা প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল হাই সাহেদ বলেন, আমাদের সম্মুখে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সন্ত্রাসীরা আবদুল সাত্তারকে লোহারপোল এলাকায় লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে ও ডান হাত ভেঙ্গে দেয়। অথচ দুঃখজনক হলেও এ জুলাই যোদ্ধার নাম এখনও গেজেটভুক্ত না হওয়ায় আমরা হতাশ।
আবদুল সাত্তার অভিযোগ করে বলেন, আমি অন্যদের মতোই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম, হামলার শিকার হয়ে ডান হাত ভাঙ্গা অবস্থায় রড বহন করে আছি। কিন্তু এখনো গেজেটভুক্ত হতে পারিনি। এটা কি আমার প্রতি অবিচার নয়?
স্থানীয় রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অনেকই বলেন, আবদুল সাত্তার জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সাহসী যোদ্ধা। তাকে দ্রুত গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া সময়ের দাবি। তা না হলে এ জুলাই যোদ্ধার প্রতি চর অবিচার করা হবে।