
থাইল্যান্ড বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আরও ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে আগ্রহী। সম্ভাবনাময় পণ্যের মধ্যে রয়েছে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পাটজাত পরিবেশবান্ধব পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য।
তিনি বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের থাইল্যান্ডে রপ্তানির সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক সহযোগিতা পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিটিপর্ন চিরাসাওয়াদি বলেন, বিশ্বজুড়ে থাই পণ্যের সুনাম রয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভোক্তারা থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য, সংস্কৃতি ও রন্ধনশৈলী সম্পর্কে কাছ থেকে জানার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকরা জানান, ২৩ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলাটি।
রয়্যাল থাই দূতাবাস, থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বিজনেস কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর এটি ২১তম আসর। এবারের মেলায় ৫৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এতে খাদ্য ও পানীয়, স্বাস্থ্যসেবা, ওয়েলনেস, ফ্যাশন, প্রসাধনী, নির্মাণসামগ্রী, কেমিক্যাল, লুব্রিকেন্ট, স্টেশনারি এবং শিশু পরিচর্যাসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।
জ/উ