প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে অভিনন্দন জানালে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করা খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। পরে দেশে ও বিদেশে উচ্চতর সামরিক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, ঢাকা নৌ অঞ্চল, সাবমেরিন কমান্ড এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্টসহ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া নৌ সদর দপ্তরে নৌ অপারেশনস ও নৌ পরিকল্পনা বিভাগে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ ও নৌঘাঁটির অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পেশাগত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), নৌ-পারদর্শিতা পদক (এনপিপি) এবং জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
জ/উ