প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫২ এএম

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, অনেক পাম্পে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় ‘গ্যাস নেই’ নোটিশ টানানো হয়েছে। যেসব স্টেশনে সীমিত পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে চাপ কম থাকায় ধীরগতিতে সরবরাহ চলছে। ফলে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।
চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও প্রয়োজনীয় গ্যাস না পাওয়ায় তারা স্বাভাবিকভাবে যানবাহন পরিচালনা করতে পারছেন না। এতে দৈনিক আয় ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংসারের ব্যয় নির্বাহ নিয়েও তারা উদ্বেগে পড়েছেন।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, কয়েকদিন ধরেই স্বাভাবিক সরবরাহ না থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এদিকে গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর আবাসিক এলাকাতেও। যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় অনেক বাসাবাড়িতে চুলা জ্বলছে না। এতে সকাল, দুপুর ও রাত-সব সময়ের রান্নাবান্নায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা।
বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যার কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব শ্রেণির গ্রাহককে স্বল্পচাপ বা সরবরাহ-সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে। সমস্যা দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
জ/উ