প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম

বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্ন থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিট দূরে ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ মুহূর্তের দুই গোলে সেই স্বপ্ন ভেঙে দেয় আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ২-১ ব্যবধানে হারের পর হতাশা আর আক্ষেপই ছিল ইংল্যান্ড শিবিরের একমাত্র সঙ্গী।
ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রাখায় মনে হচ্ছিল, ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে যাচ্ছে থ্রি লায়ন্সরা। তবে শেষদিকে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার দুর্দান্ত গোল এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের জয়সূচক গোলে নাটকীয়ভাবে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে হতাশ ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন বলেন, এমন হার মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। অলিম্পিকস ডটকমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় কেইন বলেন, ‘সবার আগে আমাদের বুঝে নিতে হবে আসলে কী হয়েছে। যখন আপনি ফাইনাল থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিট দূরে থাকেন, আর তখন সবকিছু হাতছাড়া হয়ে যায়, তখন সেটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন। সবাই ভেঙে পড়েছে।’
ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ড্যান বার্নও স্বীকার করেছেন, গোল করার পর তাদের দল কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে, যার সুযোগ নেয় আর্জেন্টিনা।
বার্ন বলেন, ‘গোলের পর আমরা কিছুটা প্যাসিভ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল, আর্জেন্টিনার গোলটা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। আমরা খুব বেশি ক্রস ও সুযোগ দিয়েছি। আগের ম্যাচগুলোতে যেভাবে রক্ষণ সামলেছি, এবার সেটা করতে পারিনি।’
কেইনের মতে, ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় বলের দখল হারানোর পর। তিনি বলেন, ‘প্রথম ৬০ মিনিট আমরা দারুণ খেলেছি এবং এগিয়ে থাকার যোগ্য ছিলাম। কিন্তু এরপর আমরা বল ধরে রাখতে পারিনি, প্রতিপক্ষের ওপর চাপও তৈরি করতে পারিনি। ফলে আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং তাদের গতি বেড়ে যায়।’
এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল।
জ/উ