
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুরুদাসপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তারা হলেন, বিবাদী ১। মোঃ রফিক উদ্দিন (৩৫), পিতা: মোঃ বাচ্চু মিয়া, ২। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৭), ৩। মোঃ দানিউল ইসলাম (৪২), পিতাঃ বদর উদ্দিন, ৪। মোঃ সাদেক আলী (৪০), ৫। মোঃ আব্দুল কাদের (৪৪), সকলের পিতাঃ মৃত এন্তাজ আলী, ৬। মোঃ ওয়াসিম (২৮), পিতা: মৃত আব্দুল করিম মোল্লা, ৭। মোঃ ঠান্টু (৩৫), ৮। মোঃ বাবলু মিয়া (৩৭), উভয়ের পিতা: মোঃ রসুল উদ্দিন, ৯। মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৬), ১০। মোঃ সোহাগ আলী (২০), উভয়ের পিতা: সাদেক আলী, ১১। মোঃ মাসুদ রানা (২৭), পিতঃ মোঃ আব্দুল কাদের আলী, সর্ব সাং-নাজিরপুর নতুনপাড়া, থানা: গুরুদাসপুর, জেলা: নাটোর।
এজাহারের বাদী মো. নজরুল ইসলাম দুখু জানান, গত ২৯ জুন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন ব্যক্তি টেলিভিশনে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে উপস্থিত ব্যক্তিরা উচ্চস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এতে পাশের বাড়ির একটি শিশু ভয় পেয়ে যায় এবং পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাদীর ছোট ভাই মো. আবুল হাসেম চায়ের দোকানে গিয়ে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে নিষেধ করলে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র, লোহার পাইপ, কাঠের বাটাম ও লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় আবুল হাসেম গুরুতর আহত হন। এছাড়া তাকে উদ্ধার করতে গেলে কামাল মাস্টার, বিলকিছ বেগম ও মিজানুর রহমান মিন্টুও আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
আহতদের প্রথমে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর আহত আবুল হাসেমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
ঘটনার পর বাদী মো. নজরুল ইসলাম দুখু ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুরুদাসপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।