প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শ্রেণিভেদে নির্ধারিত হারে ফি নেওয়ার নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, বর্তমান বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা আয়োজন ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে নির্ধারিত সীমার মধ্যে পরীক্ষা ফি গ্রহণ করা যেতে পারে।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
সচিবের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৪০ টাকা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি নেওয়া যাবে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা পরিচালনায় প্রশ্নপত্র প্রস্তুত, মুদ্রণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়। সীমিত স্লিপ বরাদ্দের কারণে এসব ব্যয় মেটাতে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, আগামী অর্থবছরে বিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় আর্থিক সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরীক্ষা ফি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ফি গ্রহণের প্রচলন রয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণই সরকারের লক্ষ্য।
সম্মেলনে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার কাজী জেবুন্নেছা বেগমসহ প্রাথমিক শিক্ষা ও গার্ল গাইডস কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ