প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম

দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ জোরদারে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কল্যাণ, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং হজ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নকে গুরুত্ব দিয়ে এ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে এ খাতের বিভিন্ন কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় করতে সরকার বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক ভিত্তিতে মোট ১০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবায়েতদের মোট ৮ হাজার টাকা করে সম্মানী দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশের ৬ হাজার ৪৩৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ হাজার ৫২০ জনকে মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাজেটে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলামি মূল্যবোধের প্রচার, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং পবিত্র হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সাশ্রয়ী ও আধুনিক করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ওয়াকফ সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় জানানো হয়, অবৈধ দখলমুক্তকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১১টি ওয়াকফ এস্টেটের ২৮ দশমিক ২০ একর সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে।
সরকার আশা প্রকাশ করেছে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।
জ/উ