প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম

৬৮ পাবনা-১ সাঁথিয়া আসনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমান। নতুন করে যোগ হয়েছে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। বিএনপিতে যোগদান করায় তার ভোট ব্যাংক নিয়ে চলছে নানা জল্পনাকল্পনা। এই আসনে অধিকতর জরিপে পাওয়া গেছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার ভোটে জয়ী হবে ধানের শীষ।
উক্ত আসনে ১টি উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৪০,৯৩১ জন। নারী ভোটার রয়েছে ১, ৬৬,৪৯৪ জন, পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১,৭৪,৪৩৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ১ জন।
আসনটিতে জামায়াত বিএনপি জোট থাকায় দীর্ঘদিন বিএনপির কোন প্রার্থী ছিলোনা। যদিও এ আসনে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির ভোট বেশি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের দখলেই ছিলো এ আসন।
এই আসনে জামায়াত বিএনপির জোটের প্রার্থী মতিউর রহমান নিজামী এমপি এবং মন্ত্রী ছিলেন। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডক্টর অধ্যাপক আবু সাইয়িদ শুধু আওয়ামীলীগের ভোটেই এই আসনের এমপি এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এই আসনে অধ্যাপক আবু সাইয়িদের নিজস্ব একটা ভোট ব্যাংক আছে। তার প্রমাণ দেখা গেছে ২০১৪ সালে তালা মার্কায় এবং ২০২৪ সালে ট্রাক মার্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় ২ বারই টুকুর চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। ওই সময় ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু ও তার ছেলের গুন্ডা বাহিনী দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে ভোট কেটে এমপি হন। এই আসনে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির ভোট বেশি।
১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বিজয়ী হয়েছিলেন। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অবসরপ্রাপ্ত মনজুর কাদের, তৃতীয় স্থানে দাড়িপাল্লার প্রার্থী মতিউর রহমান নিজামী। সেই হিসেবে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির ভোট অনেক বেশি।
জরিপে দেখা যায়, সাঁথিয়া আসনে মোট ৩,৪০,৯৩১ ভোট। ৬৫% ভোট কাস্ট হলে ভোটের সংখ্যা হয় ২,২১,৬০৬ টা। মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান পাবে ৯০ হাজার। আর ধানের শীষের প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমান পাবে ১ লাখ ২১ হাজার ৬০৬ ভোট। কিছুটা কোম বেশি হতে পারে তবে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানেই জয়ী হবে ধানের শীষের প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমান।