সব শিক্ষার্থীকে ক্লাসরুমে আনাই আমাদের লক্ষ্য: ববি হাজ্জাজ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য সব শিক্ষার্থীকে ক্লাসরুমে নিয়ে আসা। এর জন্য যদি পরিবারকে ফাইন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভ (আর্থিক প্রণোদনা) দিতে হয়, কীভাবে সেই ফাইন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভ সবচেয়ে কার্যকরী হতে পারে- তা নিয়ে এরই মধ্যে আমরা আলোচনা শুরু করেছি। শিক্ষার্থীদের যেসব ইনসেনটিভ আছে, সেখানেও আমরা মডারাইজেশন নিয়ে আসবো।

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার পর রাজধানীর মোহাম্মদপুর রিং রোডে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র বাদশা ফয়সল ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, আজ বৃত্তি পরীক্ষার তৃতীয় দিন চলছে। আমরা দেখলাম খুব সুন্দরভাবে পরীক্ষা হচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারছে কি না- সেটা আমরা দেখছি। আমাদের প্রত্যেকটা স্কুলকে, প্রত্যেকটা জেলা উপজেলার শিক্ষা অফিসারদেরও সেই নির্দেশনা দেওয়া আছে।

যারা বৃত্তি পরীক্ষা দিচ্ছে তারা এই মধ্যে সাড়ে তিন মাস ষষ্ঠ শ্রেণিতে ক্লাসও করেছে। অথচ এখন পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষা দিতে হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত বৃত্তি পরীক্ষা হলো শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমের প্রতি এবং পরিবারদের উৎসাহিত করার প্রসেস। আমরা বাদ দিতে চাই না। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যে পরীক্ষাটা দেওয়ার কথা ছিল, তারা কোনো কারণে দিতে পারেনি। সেটা আমরা চালু রেখেছি, আমরা পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছি।

শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা এই কথাটা শুনিনি। তবে অভিভাবকদের অনেকের কাছে এই কথাটা শুনেছি যে ক্লাস সিক্সে এসে তারা ফাইভের পরীক্ষা দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নলেজ (জ্ঞান) এমন একটা জিনিস ইউ বিল্ড অন। এটার উপরে আপনি তৈরি করেন। ক্লাস সিক্সে উঠে যদি ফাইভের অংক ভুলে যান, তাহলে আপনি আসলে নিজেও ক্লাস সিক্সের অংক পারবেন না। আর দ্বিতীয়ত হলো প্রত্যেকটা শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে, এই শিক্ষার্থীদের ভেতরে কম্পিটিশন। তাহলে এই প্রবলেমটা সবাই ফেস করেছে। সবাই যদি ফেস করে তাহলে সেটাও একটা ইকুয়াল গ্রাউন্ড তৈরি করে। বৃত্তি পরীক্ষার হলো উৎসাহিত করা। আমরা আগামী দিনগুলোতে এই বৃত্তি পরীক্ষার শিক্ষার্থী বাড়াতে চেষ্টা করবো। বৃত্তির যে অ্যামাউন্ট আমরা দিচ্ছি, যে ফাইন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভটা আমরা দিচ্ছি সেটার সাইজ আমরা বাড়াবো। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উৎসাহিত করতে। তারা যেন ক্লাসরুমে আসে, তারা যেন শিক্ষাক্রমের সঙ্গে থাকে। এর জন্য যা যা করণীয় আমরা সবকিছু করতে চেষ্টা করবো।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমাদের নীতিমালা ভিন্ন হবে আমি এটা বলছি না। এই পরীক্ষাটা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নেওয়ার কথা ছিল। তাদের নীতিমালায় এই পরীক্ষাটা হচ্ছে। কিন্তু তখন হয়নি বলে আমরা বাতিল করতে চাইনি। আমরা আবার এটা চালু করেছি। আমাদের নীতিমালায় যেটা হবে, সেখানে আমরা সবচেয়ে বেশি ন্যায়সঙ্গত উপায়ে আমরা পরীক্ষা নিতে চেষ্টা করবো। আগামী পরীক্ষা যখন হবে তার আগে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটা সমতা নিশ্চিত করে তারপর পরীক্ষা নেবো।

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যে প্রণোদনা সেখানেও আমরা মডারাইজেশন নিয়ে আসবো। আমাদের লক্ষ্য একটা- সব শিক্ষার্থীকে ক্লাসরুমে নিয়ে আসা।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft