চিত্রশিল্পে সৃজনশীলতা ও নান্দনিক প্রকাশের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্কেচিং এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন তরুণ শিল্পী শায়লা সবনম। গত বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠানে বিনোদনমূলক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বঙ্গোভাইবস এন্টারটেইনমেন্ট-এর পক্ষ থেকে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন গ্যালারী হামিদুজ্জামানের পরিচালক দিপ্র বনিক। তানিয়া হামিদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এডভোকেট নাসির আহমেদ।
জানা যায়, স্কেচ ও ড্রইংয়ের মাধ্যমে অনুভূতি, মানবিক গল্প ও বাস্তব জীবনের সূ² দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য শায়লা সবনম ইতোমধ্যে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার শিল্পকর্মে সরলতা ও গভীরতার মেলবন্ধন স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়, যা তাকে সমসাময়িক তরুণ শিল্পীদের মধ্যে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে শায়লা সবনম বলেন, নীরবে কাজ করলেও যে পরিশ্রম একদিন স্বীকৃতি পায় এই পুরস্কার আমাকে সেই বিশ্বাসটাই আরও শক্তি করেছে। এই সম্মান আমার শিল্পযাত্রায় নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বঙ্গোভাইবস এন্টারটেইনমেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, শিল্পকলায় নিষ্ঠা, ধারাবাহিকতা এবং মানসম্মত কাজের স্বীকৃতি দিতেই এই আয়োজন। ভবিষ্যতেও তরুণ ও উদীয়মান শিল্পীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। শিল্পী শায়লা সবনমের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন: রিজভী
শায়লা সবনম বলেন, আমি শায়লা সবনম। টাংগাইলের মেয়ে। পড়াশোনা করেছি ক্লদিং অ্যান্ড টেক্সটাইল বিষয়ে, বাংলাদেশ হোম ইকোনোমিক্স কলেজ থেকে। ছোটবেলা থেকেই আর্ট, লেখালেখি আর সাংস্কৃতিক চর্চার প্রতি আমার গভীর আগ্রহ ছিল। আঁকা, ভাবনা আর অনুভূতির ভেতর দিয়ে নিজেকে প্রকাশ করাই ছিল আমার সবচেয়ে স্বাভাবিক ভাষা। সময়ের সাথে সাথে এই ভালোবাসাই ধীরে ধীরে আমার পথ তৈরি করে দেয়। আমার আরলি ক্যারিয়ার শুরু হয় মডেলিং দিয়ে। এরপর যুক্ত হই ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে এবং একই সাথে আর্টের জগতে নিজের জায়গা খুঁজে নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাই। শিল্প আমার কাছে শুধু দৃশ্য নয় এটা অনুভূতি, প্রশ্ন আর নীরব কথোপকথন। আমি পেন্সিল স্কেচ, অ্যাবস্ট্রাক্ট, ইলিউশন, ডুডল, অ্যাক্রেলিক ও জলরং—এই বিভিন্ন মিডিয়ামে কাজ করি। প্রতিটি কাজেই আমি মানুষের ভেতরের অনুভূতি, কল্পনা আর বাস্তবতার মাঝের অদৃশ্য সীমারেখা ধরার চেষ্টা করি। এই ওয়েবসাইটটি আমার পার্সোনাল স্পেস যেখানে আমার কাজ, ভাবনা আর সৃজনশীল যাত্রার গল্পগুলো একসাথে রাখা হয়েছে। শেখা, এক্সপ্লোর করা আর নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার এই পথচলায় আপনাদের পাশে পেলে ভালো লাগবে।