ওপেনএআই ও মাইক্রোসফটের কাছে ১৩৪ বিলিয়ন ডলার দাবি ইলন মাস্কের
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:১৬ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এবং প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে দাখিল করা নথিতে তিনি এ দাবি জানান।

আদালতে দাখিল করা নথিতে মাস্ক বলেন, ওপেনএআইয়ের প্রাথমিক পর্যায়ের সহায়তার ফলে প্রতিষ্ঠানটি ৬৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন থেকে ১০৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পেয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোসফট পেয়েছে আনুমানিক ১৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন থেকে ২৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার লাভ। এসব ‘ভুলভাবে অর্জিত সুবিধা’ ফেরত পাওয়ার অধিকার তার রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

মাস্কের প্রধান আইনজীবী স্টিভেন মোলোর ভাষ্য, ‘ইলন মাস্ক ছাড়া ওপেনএআইয়ের অস্তিত্বই থাকত না। তিনি প্রাথমিক বিনিয়োগের বড় অংশ দিয়েছেন, নিজের সুনাম কাজে লাগিয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানটি বড় করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন : গুগল আপনার তথ্য সংরক্ষণ করে? গোপনীয়তা সুরক্ষায় যা করবেন

তবে ওপেনএআই এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এক বিবৃতিতে বলেছে, মাস্কের দাবি ‘গুরুত্বহীন’ এবং এটি তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক ধরনের ‘হয়রানি অভিযান’। এ বিষয়ে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ওপেনএআই ও মাইক্রোসফট উভয় প্রতিষ্ঠানই মাস্কের ক্ষতিপূরণ দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আলাদা আবেদন করেছে। তাদের দাবি, মাস্কের উপস্থাপিত আর্থিক বিশ্লেষণ অবাস্তব, যাচাই–অযোগ্য এবং জুরিদের বিভ্রান্ত করতে পারে।

২০১৫ সালে ওপেনএআই প্রতিষ্ঠার সময় মাস্ক ছিলেন অন্যতম সহপ্রতিষ্ঠাতা। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। যা প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক তহবিলের প্রায় ৬০ শতাংশ। পাশাপাশি জনবল নিয়োগ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপন ও প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

আরও পড়ুন : চাঁদ ঘুরিয়ে আনতে প্রস্তুত নাসার রকেট

২০১৮ সালে ওপেনএআই ছাড়ার পর মাস্ক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান এক্সএআই গড়ে তোলেন। যা ‘গ্রোক’ নামের একটি চ্যাটবট পরিচালনা করছে। তার অভিযোগ, অলাভজনক উদ্দেশ্যে গঠিত ওপেনএআই পরে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের মাধ্যমে তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে অবস্থিত একটি আদালত সম্প্রতি রায় দিয়েছেন, এ মামলার বিচার জুরির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী এপ্রিল মাসে বিচার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জুরি যদি মাস্কের পক্ষে রায় দেন, তাহলে তিনি আর্থিক ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি দণ্ডমূলক ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারেন।

জ/ই

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft