প্রকাশ: রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৬ পিএম

৫০ বছরের বেশি সময় পর মানুষকে চাঁদের চারপাশ ঘুরিয়ে আনতে নাসা তৈরি করছে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস), যা আর্টেমিস মিশনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর্টেমিস ২ মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদের কক্ষপথে ঘুরবেন। এই মিশনের চূড়ান্ত লক্ষ্য চাঁদে অবতরণ। এই এসএলএস রকেট এবং অরিয়ন মহাকাশযান ব্যবহার করে নাসা চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি অভিযান ও মঙ্গল অভিযানেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। গার্ডিয়ান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ক্রুসহ রকেট উৎক্ষেপণ করা হবে। ৬ লাখ ৮৫ হাজার মাইল ঘুরে ১০ দিন পর এই অভিযান শেষ হবে। প্রশান্ত মহাসাগরে রকেটটি অবতরণ করবে। এই ফ্লাইটের মাধ্যমে নাসার এসএলএস রকেটের দ্বিতীয় পরীক্ষা হবে এবং প্রথমবারের মতো এতে ক্রু সদস্য থাকবেন। চারজন নভোচারী অরিয়ন ক্যাপসুলে বাস করবেন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাবেন।
নাসার প্রশাসক বিলিয়নিয়ার ও প্রাইভেট অ্যাস্ট্রনট জার্ড আইজ্যাকম্যান বলেছেন, গত অর্ধশতাব্দীর মধ্যে এই অভিযান সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানব স্পেসফ্লাইটগুলোর মধ্যে একটি। নাসার তিন নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার এবং ক্রিশ্চিয়ান কচের জন্য এটি হবে মহাকাশে দ্বিতীয়বারের মতো যাত্রা। তবে কানাডার নভোচারী জেরেমি হ্যানসেনের জন্য এটি মহাকাশে প্রথম যাত্রা। কচ হচ্ছেন প্রথম নারী এবং গ্লোভার হচ্ছেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ যারা প্রথম পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ভ্রমণ করবেন।
নভোচারীরা চাঁদে অবতরণ করবেন না এবং চাদের কক্ষপথে প্রবেশ করবেন না। তবে ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭ ভ্রমণের পর থেকে প্রথমবারের মতো চাদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করবেন। ২০২২ সালে পরীক্ষামূলক ক্রুবিহীন ফ্লাইটের ধারাবাহিকতায় এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং আর্টেমিস ৩ অভিযানেরও প্রস্তুতি চলছে। আর্টেমিস ৩ অভিযানের লক্ষ্য চাদের দক্ষিণ মেরুর কাছে নভোচারীদের অবতরণ। এই অভিযান আগামী বছরেই চালানো হতে পারে।
জ/ই