প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায় তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার হওয়া মাত্রই একজন সংসদ সদস্যের আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যায় না।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয়ে সংবিধান ও প্রচলিত আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংসদের স্পিকার প্রয়োজন মনে করলে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে পারেন। এরপর কমিশন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য শুনে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দলত্যাগ বা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে কেবল দলীয় বহিষ্কারের কারণে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে-এমন কোনো সরাসরি বিধান সেখানে নেই।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদ সদস্য বিরোধ নির্ধারণ আইন অনুযায়ী কোনো সদস্যের যোগ্যতা বা আসন নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে স্পিকার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে পারেন। কমিশন শুনানি শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে এবং সেই সিদ্ধান্তই কার্যকর হবে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়ে জামায়াতের মনোনয়নে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। পরে বিষয়টি তদন্ত করে নৈতিক কারণ দেখিয়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
তবে নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সংসদ সদস্য পদের বিষয়ে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী পৃথক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
জ/উ