প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২০২৩ সালের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে রিটকারী ১৫১ জনকে ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
রায়ে বলা হয়, ২০২৩ সালের নিয়োগ পরীক্ষার ফল তৎকালীন কোটা পদ্ধতির পরিবর্তে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট রায়ের আলোকে মেধার ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সে সময় প্রচলিত কোটা পদ্ধতির ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। পরে ১৫১ জন প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবি জানান। হাইকোর্ট তাদের পক্ষে রায় দিলে সরকার ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে।
তিনি জানান, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর শুনানি শেষে তিনটি নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথমত, রিটকারী ১৫১ জনকে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, ৪৬ হাজার ১৯৯ পরীক্ষার্থীর ফল সুপ্রিম কোর্টের কোটা-সংক্রান্ত রায়ের আলোকে মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে।
তৃতীয় নির্দেশনায় আপিল বিভাগ বলেন, মামলাটি বিচারাধীন থাকাকালে যেসব ৬ হাজার ৫৩১ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের নিয়োগ বহাল থাকবে।
জ/উ