ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুম হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লাশ গুমের অপরাধে তাকে আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আবু তাহের শিশু তাবাচ্ছুমকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে যান এবং পরে তাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরদিনই পুলিশ কুষ্টিয়ায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
তদন্ত শেষে ২৬ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ১৬ জুন মামলার চার্জ গঠন, ১৭ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ এবং ২১ জুন যুক্তিতর্ক শেষে সোমবার রায়ের দিন ধার্য ছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম। মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আসামির জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, স্বল্প সময়ে মামলার নিষ্পত্তি বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও বাড়াবে। অন্যদিকে নিহত শিশুর পরিবার দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
জ/উ