
প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশার মামুনকে অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববির বাসা থেকে আটক করা হয়েছে-এমন তথ্যকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা দাবি করেছেন অভিনেত্রী।
শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আল আমিন হোসাইন জানান, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির গরু কেনার কথা বলে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর শুক্রবার গভীর রাতে গুলশানের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গুলশান থানার ওসি (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমান। পরে বাথরুমের ফলস সিলিংয়ের ভেতর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ওই বাসাটি অভিনেত্রী ববির এবং মামুন তার ‘কথিত স্বামী’। তবে এসব তথ্য সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
ববি বলেন, যেই বাসার কথা বলা হচ্ছে, সেই এলাকায় তার কোনো বাসা নেই। এছাড়া মির্জা আবুল বাশারের সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা ব্যবসায়িক সম্পর্কও নেই।
একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরগুলো সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। খবর প্রকাশের আগে কেউ আমার বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে অভিনেত্রী বলেন, তাকে জড়িয়ে ‘কথিত স্ত্রী’ বা ‘স্ত্রী’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি আরও বলেন, “দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। তবে আমাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে যারা মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে গ্রেফতারের আগে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মির্জা আবুল বাশার মামুনও অভিনেত্রী ববির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামুনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত চলমান রয়েছে।
জ/উ