প্রকাশ: রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:২০ এএম

সন্তানের জীবনে বাবা যেন এক বটবৃক্ষ-ছায়া, আশ্রয় আর নিরাপত্তার প্রতীক। শাসন, স্নেহ ও নিঃশর্ত ভালোবাসার এক অনন্য নাম ‘বাবা’। ভাষা ও সংস্কৃতি ভেদে উচ্চারণ ভিন্ন হলেও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা ও আবেগ সর্বত্রই একই রকম গভীর ও চিরন্তন। এই ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’।
রোববার (২১ জুন) নানা আয়োজন ও ভালোবাসার আবেগে সারা বিশ্বে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি। সন্তানেরা বাবার সঙ্গে সময় কাটানো, উপহার দেওয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টের একটি গির্জায় প্রথম বাবা দিবস পালন করা হয়। তবে দিবসটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ওয়াশিংটনের সনোরা স্মার্ট ডড। তিনি মায়ের মৃত্যুর পর বাবার একক প্রচেষ্টায় বড় হওয়া ছয় ভাইবোনের একজন ছিলেন। মায়ের মতো বাবার জন্যও একটি বিশেষ দিবস থাকা উচিত-এই ভাবনা থেকেই তিনি ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম বাবা দিবস পালনের উদ্যোগ নেন।
পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এই দিবসের জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিনটি নিয়মিতভাবে পালিত হয়ে আসছে।
বাবা শুধু একজন অভিভাবক নন, বরং সন্তানের জীবনের প্রতিটি ধাপে নীরব শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস। তাই এই বিশেষ দিনে সন্তানেরা বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশে মুখর হয়ে ওঠেন-একটি ছোট্ট বাক্যে, “বাবা, তোমাকে ভালোবাসি।”
জ/উ