
৪০ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপে ফিরেছে ইরাক। আই গ্রুপে তারা পেয়েছে কঠিন প্রতিপক্ষ। টানা দুইবারের ফাইনালিস্ট ফ্রান্স ও নরওয়ের মুখোমুখি হবে আরবের দেশটি। কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হালান্ডের দল ছাড়া তাদের গ্রুপের অন্য প্রতিপক্ষ সেনেগাল। চার দশক পর বিশ্বকাপে খেলার জন্য ইরাক ৩৪ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে।
এই স্কোয়াডে মিডফিল্ডার আমির আল আমারি, উইঙ্গার আলী জসিমের সঙ্গে জায়গা পেয়েছেন বলিভিয়ার বিপক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে অফের জয়সূচক গোলদাতা আইমেন হুসেইন। ইনজুরির কারণে ওই ম্যাচ খেলতে না পারা অধিনায়ক জালাল হাসান দলে ফিরেছেন।
দলে চমক হিসেবে তিন নবাগত আছেন। ফুলব্যাক দারিও নামো, জুসেফ নাসরাওয়ে ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আহমেদ কাসেম যথাক্রমে ফিনল্যান্ড, জার্মানি ও সুইডেনের যুব দলে খেললেও ইরাকের এই দলে ডাক পেয়েছেন।
আগামী ১৬ জুন বোস্টন স্টেডিয়ামে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে ইরাক। ২২ ও ২৬ জুন ফ্রান্স ও সেনেগালের বিপক্ষে তাদের পরের গ্রুপ ম্যাচ।
ইরাকের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলকিপার : আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, কুমেল সাদি, ফাহাদ তালিব।
ডিফেন্ডার : হুসেইন আলি, মারচাস দস্কি, আকাম হাশেম, মাইথাম জব্বার, আহমেদ মাকনজি, দারিও নামো, ফ্রান্স পুত্রোস, মুস্তাফা সাদুন, রেবিন সুলাকা, জাইদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহিয়া, মানাফ ইউনিস।
মিডফিল্ডার : হাসান আব্দুলকারিম, আমির আল আমারি, ইউসেফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মারকো ফারজি, পিটার গোয়ারগিস, জিদানে ইকবাল, জাইদ ইসমাইল, আলী জসিম, কারার নাবিল, জুসেফ নাসরাওয়ে, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকুব।
ফরোয়ার্ড : মোহানাদ আলী, আইমেন হুসেইন, আলী আল হামাদি, আলী ইউসেফ।
জ/উ