‘ফ্যামিলি কার্ড’ এ সরকারের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম

বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমকে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। শনিবার এফডিসিতে বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অগ্রাধিকার নিয়ে আয়োজিত এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বিগত আওয়ামী শাসনামলে অনেক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতি থাকবে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্কোরিং পদ্ধতির মাধ্যমে আইবাস ব্যবস্থায় প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে যাদের প্রয়োজন, তাদেরকেই এ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কারণে ঋণের বোঝা বৃদ্ধির শঙ্কা নেই।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেশকে পরনির্ভরশীল করে তুলেছিল। সেসময় মেগা প্রকল্পগুলোতে দুর্নীতি করা হয়েছে এবং দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পের পরিবর্তে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক প্রকল্প গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন : কলেজ শিক্ষার্থীর রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সভাপতির বক্তব্যে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এবারের বাজেটে সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সুবিধাভোগী নির্বাচন ও এর অর্থায়ন নিয়ে কিছু উদ্বেগ ও শঙ্কা রয়েছে। এখন পর্যন্ত সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশিত হয়নি। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, সরকার যদি ব্যয় সংকোচন নীতির মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অতিমূল্যায়িত প্রকল্প পরিহার করে দুর্নীতি দমন করতে পারে, তাহলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন বড় কোনো চ্যালেঞ্জ হবে না।

তবে শুধু সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিত করলেই সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও উন্নয়নে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ, আবাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান ও উপার্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। কোথায় কী প্রয়োজন, সে বিবেচনায় বাজেট বরাদ্দ নির্ধারণ করা জরুরি।

জ/উ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft