প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলু রহমান লিখিত স্টেটমেন্টে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইমাম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বুধবার (৪ মার্চ) রাতে পুলিশের উপস্থিতিতে ফজলুর রহমানের লিখিত স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, বিভাগীয় প্রধান তাকে বদলি করা এবং বেতন বন্ধ করে দেওয়ায় তার মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডা. ইমাম হোসেন বলেন, ফজলুর রহমানকে বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। তিনি আশংকা মুক্ত। তাকে ডাকলে তিনি সাড়া দিচ্ছেন এবং চোখ মেলে তাকাচ্ছেন। কিছু জানতে চাইলে কলম দিয়ে লিখে উত্তর দিতে পারছেন। বুধবার রাতেই পুলিশের কর্মকর্তারা তার দুই পাতার লিখিত বক্তব্য নিয়ে গেছেন।
তিনি আরও জানান, ফজলুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে আসছেন এবং তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে নিহত শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনার স্বামীর বড় ভাই আবদুর রশিদ বলেন, কর্মস্থলে এমন হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। এ ঘটনায় কিছু রাঘববোয়াল জড়িত আছে। আমরা প্রশাসনের কাছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ইতোমধ্যে মামলার প্রস্তুতি ও জিডি করা হয়েছে।
এছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিহতের মরদেহের পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. ইমাম হোসেন ও মেডিকেল অফিসার ডা. রুমন রহমান।