
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনে ট্রাক প্রতীকে মনোনয়ন পাওয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আশরাফুল হাসান তপু ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইউনিয়নটা যেন একটা জ্বলন্ত নির্বাচনী রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। তাকে আর শুধু ‘জনসভা’ বা ‘মিছিল’ বলা যায় না। এটা ছিল একটা জনসুনামি।
সকাল ১০টা বাজতেই হরষপুর বাজারে লোকের ঢল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢল আরও বাড়তে থাকে। চায়ের দোকান থেকে মোড়ের মাথা, হাটের ভেতর থেকে গ্রামের রাস্তা-সবখানে একই চিত্র: হাজার হাজার মানুষ, হাতে ট্রাকের পতাকা, গলায় একটাই স্লোগান-“ট্রাক চালিয়ে পুরনো রাজনীতির খিল বন্ধ করি!”
তপু ভাই যেখানে যান, সেখানেই মানুষের ভিড়। কৃষকরা ফসলের বস্তা ফেলে দৌড়ে আসেন। দোকানদাররা দোকান বন্ধ করে লাইন দেন। তরুণরা মোবাইলে ভিডিও করে চিৎকার করেন, “এবার তপু ভাই চাই!” মহিলারাও বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান।
এক বৃদ্ধ কৃষক বললেন, “আমি ৫০ বছর ধরে ভোট দিচ্ছি। এমন জনসমর্থন কখনো দেখিনি। তপু যেন আমাদের ছেলে। এবার ট্রাকই জিতবে।”
এক তরুণী বললেন, “আমরা মেয়েরা নিরাপত্তা চাই। তপু ভাইকে দেখে মনে হয়, এবার সত্যিকারের প্রতিনিধি পাব।”
তপু ভাই মাঠে দাঁড়িয়ে জনতার মাঝে পরিষ্কার কণ্ঠে বলেন, “আমি রাজনীতিতে এসেছি ঠেলাঠেলি করতে নয়, আপনাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে। আগের শাসনকালে যে দমন-পীড়ন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতির জাল বিছানো হয়েছে-সেটা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি-আপনাদের রাস্তা-ঘাট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা-সবই হবে আমার প্রথম কাজ। ট্রাক মার্কায় ভোট দিন। এটা শুধু ভোট নয়, এটা আপনার অধিকার ফিরিয়ে নেওয়ার ভোট।”
সন্ধ্যায় যখন তপু ভাই বিদায় নিচ্ছিলেন, পুরো হরষপুর তখনও ‘ট্রাক-ট্রাক’ স্লোগানে কাঁপছিল। মানুষ বলাবলি করছে- “এটা গণসংযোগ নয়, এটা বিজয়ের মিছিল। পুরনো রাজনীতির দিন শেষ। এবার নতুন নেতৃত্বের যুগ শুরু।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে এই একদিনের গণসংযোগই প্রমাণ করে দিল-ট্রাক মার্কা আর শুধু একটা প্রতীক নয়, এটা জনতার আশা-ভরসার গাড়ি। আর সেই গাড়ির চালক তপু ভাই এখন ভোটের মাঠে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে-এবার ট্রাকের গতি কেউ থামাতে পারবে না।
হরষপুরের মানুষ বলছে, “তপু ভাই এসেছেন, এবার পরিবর্তন আসবেই।” আর সেই পরিবর্তনের নাম-ট্রাক।
জ/দি