
আশুলিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় শাহাজাদপুর ট্রাভেলস ও হক এন্টারপ্রাইজ এর কাউন্টার মালিক মো: জুবায়ের হোসেনকে কুপিয়ে জখম করেছে। সকাল১১টায় আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে এই ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী জুবায়ের হোসেন বলেন, আমি শাহাজাদপুর ট্রাভেলস ও হক এন্টারপ্রাইজ এর কাউন্টার মালিক। মো: পারভেজ (৪২), মোঃ আব্দুল কাদের (৩২), মোঃ জামিল হোসেন (৩৮), মো: ইব্রাহিম হোসেন (৪৩), পিতা-মোঃ রোস্তম আলী,তামীম (৩৮), নজরুল ইসলাম (৪০), মো: উজ্জল মোল্লা (৩২), মোঃ সুমন (৩৫), মো: ইমরান (৩৫), মো: ফরিদ (৪২), মোঃ নুরখে নুরা (৪০), মো: আলমগীর হোসেন (৩৫), মোঃ বুলবুল (৩৩), মো: সাদেক আলী (৩৫), মো: জহির (৩৫) সহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাত নামা ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ তারা বাইপাইল বিভিন্ন বাস কাউন্টার হতে চাঁদা উঠায়। তারা কিছুদিন ধরে আমার কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিলো। তাদেরকে চাঁদা না দেওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা লোহার রড, লাঠি ও চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার কাউন্টারে প্রবেশ করে এবং পারভেজ আমার কাছে নগদ ২ লাখ টাকা চাঁদা চায়।
এছাড়া প্রতি মাসে ২০ হাজার করে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। এতে রাজি না হওয়ায় প্রথমে তারা আমাকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে। এরপরে পারভেজ আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে রাম দা দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। অন্যদিকে কাদের চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমার মাথার বাম পাশে কোপ দেয় এবং সাদেক চাপাতি দিয়ে আমার ডান পায়ে কোপ দেয়। জামিল আমার বাম হাতে কোপ দেয়। পরে আমার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসলে তারা পালিয়ে যায়। এসময় আমার ক্যাশ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং আমার মোটর সাইকেলটি ভাংচুর করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। প্রশাসনের কাছে এই চাঁদাবাজদের সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাই।
রুহুল নামের পাশের এক কাউন্টারের মালিক বলেন, আমি কাউন্টারে বসা ছিলাম। আনুমানিক সকাল ১০.৩০ মিনিটের দিকে পারভেজ, কাদের, শামীম ও ইকবাল এসে জুবায়েরকে লাঠি দিয়ে মারধর করতে লাগলো। একপর্যায়ে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কোপ দেয়। তাদের সাথে আরও পোলাপান ছিলো তাদেরকে চিনি তবে নাম জানি না।
ফুটপাতের এক দোকানী বলেন, কয়েকজন পোলাপান এসে জুবায়েরকে মারধর করতে থাকে।একপর্যায়ে আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। এবিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আকন্দ বলেন, এঘটনায় অভিযোগ হয়েছে এবং দ্বায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে বলে স্যার জানিয়েছেন। আমি বাইরে ডিউটিতে আছি, থানায় গিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।
জ/উ