প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৩ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই সনদের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে আসা উচিত। আলোচনার টেবিলে বসা উচিত। কারণ, নানান ছিদ্রপথে গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির পুনরুত্থান ঘটতে পারে। বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং দেশের বাইরে থেকে মদত পেয়ে তারা নানানভাবে আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটা নিয়ে সরকার বা সরকারি দল এবং বিরোধী দলগুলো আলোচনা করতে পারে। সেখানে যদি আরও কিছু কথা বলার বা সংযোজন করার থাকে, তবে তা করতে অসুবিধা কোথায়?
আজ সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকার উত্তরায় আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতি এবং তারুণ্যের স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ভয়ঙ্কর দানবের কাছে থেকে জুলাই-আগস্টের এ পরিবর্তনের মাধ্যমে অন্তত গণতন্ত্রের কিছুটা আলো দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। এখন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা রয়েছে। কেউ সরকারের জোরালো সমালোচনা করলে তাকে গুম হতে হবে কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে হবে সেই পরিস্থিতি এখন আর নেই। জুলাই সেটি নিশ্চিত করেছে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর ও তীক্ষ্ণ। এ তাৎপর্যকে আমাদের আরও উপলব্ধি করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য আমাদের যেসব কাজ বাকি আছে, সেগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
রিজভী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম প্রধান ইস্যুতে মিনিমাম আন্ডারস্ট্যান্ডিং (নূন্যতম সমঝোতা) থাকতে হবে। সেটা না থাকলে গণতন্ত্র আবারও বিপন্ন হবে। তখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষাও বিঘ্নিত হতে পারে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এ্যাব নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ চঞ্চল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল সহ-সভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল প্রমুখ।