প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:০৭ পিএম

কাশিয়ানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় মিছিল প্রতিহত করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই সময় ভাংচুর ও আগুন দেওয়া হয়েছে মোটরসাইকেলে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৪ টার দিকে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপর ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কাশিয়ানী থানা পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মীকে আটক করেছে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজাদ হোসেন ও সহ-সভাপতি সুমন খন্দকারের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে মহাসড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে শেখ হাসিনা বলে স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিল চলাকালে মহাসড়কে কিছু সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সরদার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এ বিক্ষোভ মিছিলের একটি ভিডিও শেয়ার করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনাকে ‘গণহত্যা দিবস’ আখ্যা দিয়ে এবং আহত-নিহতদের স্মরণে এ মিছিলটি বের করা হয়েছিল। এদিকে মিছিলের খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে যান স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: নান্নান খাকী অভিযোগ করে বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজাদ হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকশত নেতাকর্মী বাস, মাইক্রোবাস, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে এসে মিছিল করছিল। সেখানে আমরা কয়েকজন পৌঁছালে তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়, মারধর করে এবং আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ হামলায় আমি এবং রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হকসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই ছাত্রলীগের ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।