বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) ভবনে রোববার ‘বিসিক বর্ষা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিসিক শিল্পনগরীর অবদান নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুটি আয়োজনেই প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিক ভবনের নিচতলায় পাঁচ দিনব্যাপী ‘বিসিক বর্ষা মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী। পরে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
এবারের মেলায় হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, জামদানি, শতরঞ্জি, মণিপুরী শাড়ি, নকশিকাঁথা, পাটজাত পণ্য, বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী, মধু ও খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ৫৬টি স্টল অংশ নিয়েছে। আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এদিকে সকালে বিসিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় অর্থনীতিতে বিসিক শিল্পনগরীসমূহের অবদান ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। সভাপতিত্ব করেন বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম।
কর্মশালায় শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো, ছোট ও মাঝারি শিল্প খাতের অবদান আরও বাড়াতে সরকার কাজ করছে। চলমান ও নতুন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বিসিক কর্মকর্তাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিসিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, পরিবেশবান্ধব নতুন শিল্পনগরী স্থাপন, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, অনাবাদী প্লট বরাদ্দ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ ধারণা বাস্তবায়নের মতো বিষয়গুলো নিয়ে বিসিক কাজ করছে।
জ/উ