প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্তে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৪ তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। কমিটিকে উপাচার্যের নিকট দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার জন্য বলা হয়েছে।
কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীকে আহ্বায়ক এবং একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মাছুদুল হক তালুকদারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (পি আর এল) ড. আশরাফুর রহমান ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের দ্বিতীয় তলায় সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ অফিস কক্ষে সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা কে গলা কেটে হত্যা করে কর্মচারী ফজলুর রহমান৷ পরবর্তীতে সে নিজেও নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। নিহত শিক্ষিকার চিৎকারে ভবনে কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও শিক্ষার্থীরা দৌড়ে গিয়ে দরজা ভেঙে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ এসে দুজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া কে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ১০৯ ধারায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান। অভিযুক্তরা হচ্ছেন - কর্মচারী ফজলুর রহমান, সাবেক কর্মচারী উপ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। পরে গত ৭ মার্চ হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. গোলাম মওলা কে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে প্রশাসন।