প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৭:২০ এএম

দুই দিনের সফর শেষে বাংলাদেশ ত্যাগ করার আগে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার বিদায়ী বার্তায় হাকান ফিদান বলেন, “তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা সাধারণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়। আমরা এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে থাকব।”
সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজার-এ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।
হাকান ফিদান বলেন, নির্বাচনের পর নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করা বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গৃহীত উদ্যোগগুলো তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক একটি দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং আগামী দিনে বাণিজ্য, উন্নয়ন ও মানবিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
বিদায়ী বার্তায় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে সম্প্রতি ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং এ দায়িত্ব সফলভাবে পালনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ একটি বড় মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এ সংকটের স্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করা বাংলাদেশ ও তুরস্কের অভিন্ন লক্ষ্য।
কক্সবাজারে তুরস্কের বিভিন্ন মানবিক ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, মানবতার সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী ও সহায়তাকর্মীদের নিষ্ঠা ও ত্যাগ প্রশংসার দাবিদার।
উল্লেখ্য, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গত বৃহস্পতিবার রাতে দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন। সফর শেষে শনিবার তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।
জ/উ