প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম

পাইকগাছায় ভুমিহীনদের বন্দোবস্তকৃত জমি জবর দখলকালে বাড়ী-ঘর ভাংচুর , লুটপাট, মারপিট ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার অপরাধে ভুমিহীন ৮ পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার আগড়ঘাটাস্থ রামনাথপুর গ্রামের একটি অংশ কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে জেগে উঠা চরভরাটি জমি ৫৫ জন ভুমিহীন পরিবারকে ৩ বিঘা করে সরকার বন্দোবস্ত দেয়। যা পার রামনাথপুর গ্রাম বা মৌজা নামে পরিচিত। সে অনুযায়ী উক্ত জমিতে বসতবাড়ী বানিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ তারা সেখানে বসবাস করছে।
রোববার বিকেল ৫ টার দিকে হঠাৎ ইউপি সদস্য ফারুখ হোসেন লাকির নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন ভুমিদস্যু ভুমিহীনদের বন্দোবস্তকৃত জমি জবর দখল করতে যায় । এসময় তারা ভুমিহীনদের বসত বাড়ীতে যেয়ে হামলা চালিয়ে নারীপুরুষদের বেধড়ক মারপিট করে জখম করে। ফাইমা বেগম (২৮) কে জখম অবস্থায় পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করে এলাকার লোকজন। এঘটনায় হামিদ সরদার বাদী হয়ে রাতে থানায় এজহার দাখিল করেন।
এ খবর পেয়ে গভীর রাতে ইউপি সদস্য লাকির নেতৃত্বে আশরাফ শেখ ,আজিজ শেখ, মজিদ শেখ,রহিম শেখ,ইউনুছ শেখ,হোসেন আলী শেখ, মোশাররফ চৌধুরী, শেখ রাজনসহ ৪০-৫০ জন ঘেরের বাঁধ কেটে মাছ লুটপাট করে। অগ্নিসংযোগ করে তপন বিশ্বাস ও সুতপ্ত গাইনের দুটি ঘর ভস্মীভূত করে দেয়। লোকজন জীবন রক্ষায় এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান বলে ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলামসহ ভুমিহীনরা স্বাক্ষাত কালে বলেন। তাদের দাবী নারীদের হেনস্থা করা হয়েছে, পুড়ে গেছে সাগরে মাছ ধরার বেহোনদি জাল। যার মুল্য ৫ লক্ষাধিক টাকা।
এছাড়া অন্যান্য আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এবিষয়ে ইউপি সদস্য লাকি বলেন, ঐ জমি রেকর্ডীয় জমি। আর আমি ১৮'শ লোকের প্রতিনিধিত্ব করি। তাদের দেখভালের দায়িত্ব আমার। পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া বলেন,একটা এজহার দাখিল হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করেছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জ/দি