প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ এএম

দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বমঞ্চে আবারও ফিরে আসছে তুরস্ক। সবশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা দেশটি আগামী ২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। ভিনসেনজো মন্তেয়ার অধীনে এই ‘তুরস্কের সোনালী প্রজন্ম’ এখন নতুন ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায়।
ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত খেলে প্লে-অফের বাধা টপকে বিশ্বকাপে উঠেছে তুরস্ক। কসোভোর বিপক্ষে প্লে-অফ ম্যাচে জয়ের পর তুরস্কের ফুটবল অঙ্গনে যেন আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল।
বাছাইপর্বের ফলাফল: স্পেনের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়েছিল তুরস্ক। স্বাভাবিকভাবেই স্পেনকে পেছনে ফেলতে পারেনি। গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে শেষ করে তুরস্ক। ৬ ম্যাচে ৪ জয়, ১ ড্র এবং ১ হার। এরপর খেলেছে প্লে-অফ।
শক্তি ও দুর্বলতা: বাছাইপর্বে ১৭টি গোল করে তারা তাদের আক্রমণাত্মক শক্তির জানান দিলেও, ১২টি গোল হজম করা ছিল রক্ষণভাগের দুর্বলতার লক্ষণ। তবে কোচ মন্তেয়ার কৌশলে প্লে-অফে রোমানিয়া ও কসোভোর বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের জয়গুলো তাদের রক্ষণের উন্নতি প্রমাণ করে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নেওয়া ইতালীয় এই কোচ তুরস্কের ফুটবল ভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ইতালির হয়ে ২০টি ম্যাচ খেলা এই সাবেক স্ট্রাইকার তুর্কি ফুটবল সংস্কৃতির সাথে দারুণভাবে মিশে গেছেন। এ নিয়ে মন্তেয়ার মন্তব্য হলো, ‘আমি একজন তুর্কির মতো অনুভব করি এবং তুর্কিদের মতোই চিন্তা করি।’
২০২৬ বিশ্বকাপে তুরস্ককে লড়তে হবে ‘ডি’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে এবং অন্যতম আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।