প্রকাশ: রোববার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম

থিয়েরি অঁরির প্রশ্নটা শুনে ডেভিড বেকহ্যাম এক মুহূর্তও দেরি করেননি জবাব দিতে। অঁরি বেকহ্যামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত কোনটা, জবাবে তিনি বলেন লিওনেল মেসিকে ইন্টার মিয়ামিতে সই করানো।
খেলোয়াড় ও ক্লাব কর্তা হিসেবে শিরোপা, ফাইনাল ও ঐতিহাসিক অনেক মুহূর্ত পার করেছেন বেকহ্যাম। কিন্তু তার মতে ইতিহাসের সেরা ফুটবলারকে নিজের প্রজেক্টে আনার মতো কিছু আর নেই।
মেসির আগমনের প্রথম দিন থেকেই ইন্টার মিয়ামিতে সবকিছু বদলে যায়। শুধু মাঠে নয়, ক্লাবের বৈশ্বিক পরিচিতি ও এমএলএসের নাগাল পৌঁছে যায় অনেক দূর পর্যন্ত। স্টেডিয়াম ভরে যেতে থাকে, জার্সি বিক্রি হয় রেকর্ড সংখ্যায়, দর্শক সংখ্যা ভাঙে পুরনো রেকর্ড। প্রভাবটা ছিল তাৎক্ষণিক।
মেসিকে নিয়ে মিয়ামির সাফল্য সেখানেই শেষ হয়ে যায়নি। মাঠেও ফল আসে। লিগস কাপ জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বড় মঞ্চে নিজেদের জানান দেয় ইন্টার মিয়ামি। এরপর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে আমেরিকা ও বিশ্বের কাছে ক্লাবটির পরিচিতি সম্পূর্ণ নতুন রূপ নেয়।
মিয়ামিকে এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট এনে দিয়েছেন মেসি। খেলেছেন ক্লাব বিশ্বকাপেও। গেল বছর প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ শিরোপা জেতেন মেসি।
ফুটবল ছাড়ার পর থেকে বেকহ্যামের ধ্যানজ্ঞান এখন মিয়ামিই। আর সেই দলটাকে যখন মাঠে মাঠের বাইরে সাফল্য এনে দেবেন কেউ, সেই তিনিই হতেন তার চোখের মণি। আর সে কারণেই বেকহ্যাম মেসিকে দলে ভেড়ানোর মুহূর্তটাকেই ক্যারিয়ার-সেরা হিসেবে দেখছেন।
জ/উ