জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে : ডিআইজি
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ পিএম

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে অভিযান নিয়ে সলিমপুরের প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশ। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী চক্রের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশ। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে অভিযান নিয়ে সলিমপুরের প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। 

মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, প্রায় ২০০৩ সাল থেকে একটি চক্র সরকারি নিয়মকানুন উপেক্ষা করে জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধভাবে জমির কাগজ তৈরি, জমি দখল ও হস্তান্তরের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। পরিস্থিতি এমন ছিল, সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এলাকায় প্রবেশ করতে ভয় পেত। এর আগে চারবার এই এলাকায় অভিযান চালানোর চেষ্টা করা হলেও সফল হওয়া যায়নি। এবার পঞ্চমবারের মতো অভিযান চালিয়ে যৌথবাহিনী সফল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটরা অংশ নেন। সম্মিলিত এই অভিযানের মাধ্যমে এলাকায় রাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। অভিযানের পর এলাকায় স্থায়ীভাবে দুটি ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে। এখানে বাংলাদেশ পুলিশের একটি ক্যাম্প এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের একটি ক্যাম্প চালু থাকবে। যাতে ভবিষ্যতে এ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা যায়। এ সময় ডিআইজি জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বিভাগীয় কমিশনারকে অনুরোধ জানান।

আরও পড়ুন : ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি বলেন, অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখনও বিভিন্ন ইউনিট পুরোপুরি রিপোর্ট না দেওয়ায় চূড়ান্ত সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।

অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার উপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, যা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তীতে তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়ে আরও অস্ত্র উদ্ধার করা যাবে। এটি অনেক বড় এলাকা। পুরো এলাকায় এখনো তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোথাও কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি। আরও এক থেকে দুই ঘণ্টা অভিযান চালানো হবে।

ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ বলেন, অভিযান শেষে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার রাখা হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আবার মাথাচাড়া দিতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।

জ/দি

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft