প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজের বিচ্ছেদ নিয়ে বহু চর্চা হয়েছে। এর পেছনে তৃতীয় কোনো পক্ষের ভূমিকা ছিল- এমন গুঞ্জনও ছিল দীর্ঘদিন। অবশেষে সেই বিষয়ে স্পষ্ট জবাব দিলেন পরী নিজেই।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। সেখানেই তৃতীয় পক্ষের বিষয়টি সরাসরি নাকচ করে দেন তিনি।
পরীমণি বলেন, ‘তৃতীয় পক্ষের কোনো বিষয় নয়। কেবল বোঝাপড়ার পার্থক্যের কারণেই বিচ্ছেদ হয়েছে। সংসার টিকিয়ে রাখতে চেষ্টা যে করতে হয়, এটা তো সে (রাজ) জানেই না। কিংবা কারো চেষ্টাকে সমর্থন জানাতে হয়, সেটাও তো জানে না।’
একই অনুষ্ঠানে বিনোদন অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুল ধারণার কথাও তুলে ধরেন তিনি। পরীমণি বলেন, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটা কথা ছড়িয়েছে- আমার জন্য সে নাকি বাচ্চার খোঁজ নিতে পারছে না। এটা খুবই ভুল একটা কথা।’
এ প্রসঙ্গে রাজের প্রতি নিজের প্রত্যাশার কথাও জানান অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ‘আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক। কাউকে না বলেই বুঝুক যে তার একটি সন্তান আছে এবং সেই দায়িত্ব নিজে থেকেই উপলব্ধি করুক।’
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পরীমণি সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন শরিফুল রাজ। একই সঙ্গে তাদের বিয়ের বিষয়টিও জানান তিনি। দুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর পারিবারিক আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১০ আগস্ট তাদের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।
এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিলেও একাধিকবার তারা আবার একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে রাজের ফেসবুক আইডি থেকে কয়েকজন চিত্রনায়িকার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ পেলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ওই ঘটনার পর সংসারে নতুন করে অশান্তি দেখা দেয় এবং রাজ বাসা ছাড়েন।
পরবর্তীতে আলাদা হওয়ার পর দুজনই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এসে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। সবকিছু মিলিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ কার্যকর হয় ২০২৩ সালের শেষের দিকে।
জ/ই