প্রকাশ: রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৮ পিএম

দীর্ঘদিন ধরে কিডনিসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক মোস্তফা কামাল। আজ রবিবার ভোরে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা রেখে গেছেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে মোস্তফা কামাল ছিলেন এক বহুমাত্রিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ষাটের দশকে ঢাকা মোহামেডানের হয়ে ফুটবল খেললেও ভলিবলই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের মূল সাধনা। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ভলিবল কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।
ভলিবলের পাশাপাশি ফুটবল অঙ্গনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিভিন্ন কমিটি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকের পরিচয়ের বাইরে মোস্তফা কামাল ছিলেন একজন ক্রীড়া লেখকও। তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির (বিএসপিএ) আজীবন সদস্য ছিলেন। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্রীড়াঙ্গনের নানা শাখা ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ভলিবলে তাঁর অবদানের জন্যই তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ও সম্মানিত- ক্রীড়ামহলে তিনি ‘ভলিবলের কামাল’ নামেই সমাদৃত।
মোস্তফা কামালের প্রথম নামাজে জানাজা আজ বাদ যোহর শান্তিনগর ইস্টার্ন প্লাস শপিং মল জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় নামাজে জানাজা পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তাঁর মরদেহ রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
জ/ই