প্রকাশ: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:১৩ পিএম

২০২৬ এর ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। উক্ত নির্বাচন কে সামনে রেখে ফেনীর ৩ আসন (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) উপজেলায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় কোন্দল চরম পর্যায়ে পোঁছেছে। ফলে নির্বাচনী মাঠে ভিষণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দলটির কার্যক্রম। কোন্দলে জর্জরিত নির্বাচনী প্রচারনার মাঠে তাদের "ধানের শীষ" প্রচারনার চিত্র তেমন দেখা মিলেনা। বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টুও এখনো জনসংযোগে নেই।
শুধু জেলা বিএনপির সদস্য রফিকুল ইসলাম, যুবদলের আহবায়ক কবির আহমেদ ডিপলু এবং যুগ্ম আহবায়ক নিজাম উদ্দিন হুদন ও তাদের সমর্থকরা দেখা গেছে আবদুল আউয়াল মিন্টুর নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে। বহু নেতা এখনো এগিয়ে আসেনি কোন্দলের কারনে। গত এক বছর ধরে তাদের আভ্যন্তরিন কোন্দলে থাকার কারনে দলটির কার্যক্রম এমন অবস্থা হয়েছে। সোনাগাজী উপজেলার চেয়ে দাগনভূঞায় উপজেলায় এ আভ্যন্তরিন দলীয় কোন্দল অন্তত প্রকট আকার ধারন করেছে। যে কারনে সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এ আসনে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী হয়েও দলের নেতা কর্মিদের নিয়ে প্রচারনা করতে দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বিএনপি নেতা আবুল হাসেম বাহাদুর, সাইফুর রহমান রতন ও জামশেদুর রহমান ফটিক কারাগারে যাওয়ার পর থেকে কোন্দল আরো চরম আকার ধারন করেছে। বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি ঘটনার মামলায় এ তিন নেতা কারাগারে যান। উপজেলা যুবদল নেতা সোহেলের করা মামলায় কারাভোগ করছেন এই তিন নেতা।
অপরদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে গত এক বছর যাবত উক্ত দুই উপজেলায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন শিপন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডাঃ মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক। সাইফুদ্দিন মানিক চট্রগ্রাম মহানগর ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক। এবং ফখরুদ্দিন মানিক ঢাকা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণ শাখার সহসাধারণ সম্পাদক। এই দুই এমপি প্রার্থী দুই উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে তাদের দলীয় কার্যক্রম করে যাচ্ছেন। মানুষের কাছাকাছি গিয়ে দলীয় ভোট চাচ্ছেন। অংশ গ্রহন করছেন দলীয় বিভিন্ন আয়োজনে। এই দুই দলে কোন্দল নেই,মারামারি নেই। শান্তিপূর্ণ ভাবে তারা সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন। যে কারনে এবারের জাতীয় নির্বাচনে এই দুই প্রার্থীর আলোচনায় রয়েছে সবাই খানে। কারন তারা নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন গত বছর ধরে। সেই কারনে ইসলামী আন্দোলনের সাইফুদ্দিন শিপনের প্রতীক "হাত পাখা" এবং জামায়াতে ইসলামীর ফখরুদ্দিন মানিকের "দাঁড়ি পাল্লার" প্রতীক মানুষের মুখে মুখে রয়েছে।
জ/উ