প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৫৮ পিএম

এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটি গাভী গরু কিনেন বৃদ্ধা জরিনা বেগম। সেই গভীর দুধ বিক্রি করে চার সদস্যের সংসার এবং এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধ করতেন তিনি। উপার্জনের একমাত্র শেষ সম্বল চুরি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বৃদ্ধা জরিনা বেগম।
গতকাল সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার মির্জাপুরদীঘা গ্রামে জরিনা বেগমের বাড়িতে গরু দুইটি চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী বৃদ্ধা জরিনা বেগম জানান, সোমবার সন্ধ্যায় রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টায় দরজার পাশে শব্দে জেগে উঠেন বৃদ্ধা জরিমা। বাইরে বের হলে চোরেরা পালিয়ে যায়। গোয়াল ঘরে গরু দেখে আবার ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। পরে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেনন তার গোয়াল ঘর ফাঁকা, গরু দুটো নেই। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন গরুর মালিক জরিনা বেগম। উপার্জনের শেষ সম্বল দুইটি হারিয়ে দিশেহারা বৃদ্ধা জরিনা বেগম।
তিনি বলেন, আমার উপার্জনের শেষ সম্বল চোর চুরি করে নিয়ে গেছে। এখন কিস্তির টাকা কি করে দেবো আর পরিবারের খরচ কি ভাবে মিটাবো। আমার গরুটি দুইটি এনে দেও।
প্রতিবেশী আশিকুর রহমান জানান, জরিনা বেগমের পরিবার খুবই অসহায়। গাভীর দুধ বিক্রির টাকায় তাদের সংসার চলতো। গরু চুরি হওয়ায় পরিবারটি খুব অসহায় হয়ে পড়েছে।
বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী বলেন, চুরির বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। জরিনা বেগমের পরিবারটি খুবই অসহায়।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।