ফেনীতে ১৫ বাঁধ ভেঙে ৩৫ গ্রাম প্লাবিত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫, ৩:১১ পিএম

ফেনীর উত্তারাঞ্চলে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর ১৫টি স্থানে বাঁধ ভেঙেছে। এতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার ৩৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জানা গেছে, কোথাও কোথাও নদীর পানি বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাঁধের অসংখ্য জায়গা ঝুঁকিতে রয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ফেনী-পরশুরাম সড়ক। দুই উপজেলার বাসিন্দারা চরম অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে রাত কাটিয়েছেন। অনেকে রাতে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, ১৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সাড়ে ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দী।

আরও জানা গেছে, ফুলগাজীতে দেড়পাড়া, শ্রীপুর, মুন্সিরহাট, বরইয়া, নিলক্ষীসহ ১৫টি গ্রাম। ফুলগাজী বাজারে পানি ঢুকে দোকানপাট পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পরশুরাম উপজেলার উত্তর ধনীকুন্ডা, মধ্যম ধনীকুন্ডা, রামপুর, দুর্গাপুর রতনপুরসহ ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 

এ ছাড়া পরশুরামের বল্লামুখায় ভারত অংশে বাঁধ ভেঙে বাংলাদেশ অংশে পানি ঢুকছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী আকতার হোসেন জানিয়েছেন, মুহুরী নদী পানি বিপদসীমার ১৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

গত দুই দিনের টানা বর্ষণে ফেনী শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকা থেকে এখন পানি কমতে শুরু করেছে। তবে যেসব নিচু এলাকাগুলো রয়েছে সেসব নিচু ঘরগুলো থেকে পানি কমলেও এখনো থাকার উপযোগী হয়নি। চরম ভোগান্তিতে রাত পার করছেন তারা।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময় বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় পরশুরাম উপজেলায় মুহুরী নদীর ডান তীরে জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ ভারত বাঁধের সংযোগস্থল দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। মুহুরী নদীর উভয় তীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে পরশুরাম উপজেলায়, জঙ্গলগোনা-২টি (মুহুরী, ডান তীর), উত্তর শালধর-১টি (মুহুরী নদীর ডান তীর), নোয়াপুর -১টি (মুহুরী নদীর বাম তীর), পশ্চিম অলকা-১টি (মুহুরী নদীর বাম তীর), ডি এম সাহেবনগর-১টি (সিলোনিয়া নদীর বাম তীর), পশ্চিম গদানগর-১টি (সিলোনিয়া নদীর বাম তীর), দক্ষিণ বেড়াবাড়ীয়া -১টি (কহুয়া নদীর বাম তীর), পূর্ব সাতকুচিয়া-১টি (কহুয়া নদীর ডান তীর), উত্তর টেটেশ্বর-১টি (কহুয়া নদীর বাম তীর) সহ ১০টি স্থানে ভাঙন হয়েছে এবং ফুলগাজী উপজেলায় দেড়পাড়া-২টি (মুহুরী নদীর ডান তীর), শ্রীপুর-১টি (মুহুরী নদীর ডান তীর), উত্তর দৌলতপুর -১ টি (কহুয়া নদীর ডান তীর), কমুয়া-১টি (সিলোনিয়া নদীর বাম তীর) সহ ৫টি, সর্বমোট ১৫টি স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া বন্যা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে পানি উপচিয়ে বাঁধ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft