প্রকাশ: রোববার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৮:৩৯ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দেড় বছর আগের এক ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে নুরুল আলম রনি (২৭) নামে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার (১৪ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় আসামি দোষ স্বীকার করে স্বেচ্ছায় বিচারিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
গ্রেপ্তার নুরুল আলম রনি উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রংমালা বাজার এলাকার সফিকুল আলম বাহারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ৩নং ওয়ার্ডের রংমালা বাজারে ভিকটিম প্রতিবন্ধি যুবক মোঃ শরীফের (২৫) কাছে সিগারেট চায় ঘাতক রনি। রনি শরীফকে সিগারেট না দেয়ায়, এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাকবিতন্ডার পর ওই রাতেই রনি শরীফকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ রংমালা দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার পেছনে ঝোপের মধ্যে লতা-পাতা দিয়ে ঢেকে ফেলে চলে যায়। ৭দিন পর পঁচা দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসার পর এঘটনায় ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
পরবর্তিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত বিমল কর্মকার ও এসআই মোঃ মহসিন ভিকটিম শরীফের মোবাইল ফোনের সূত্রধরে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামী রনিকে গ্রেফতার করে।
ভিকটিম প্রতিবন্ধি মো. শরীফ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল আজিজ মুন্সিবাড়ির জাফর আহম্মেদ ওরফে মিয়া মিস্ত্রির ছেলে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, ভিকটিম শরীফের মোবাইলের সূত্রধরে দীর্ঘ অনুসন্ধানে এই হত্যাকাণ্ড রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে। আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এরপর আদালত থেকে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।