প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, শিশুশ্রম নির্মূলে শুধু আলোচনা বা সেমিনার যথেষ্ট নয়; বাস্তবসম্মত ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, শিশুশ্রম বন্ধের সচেতনতা ও উদ্যোগ শুরু হতে হবে নিজের পরিবার ও ঘর থেকেই।
সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
মন্ত্রী বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও বস্তি এলাকার শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানবসম্পদই সবচেয়ে বড় শক্তি এবং শিশুদের সুরক্ষা ও বিকাশ নিশ্চিত করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে কার্যকর পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়ে বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কতজন শিশুকে শ্রম থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা যায়, সেটিই হবে প্রকৃত সাফল্যের মানদণ্ড।
শিশুশ্রম প্রতিরোধে দেশব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন শ্রমমন্ত্রী। তিনি বলেন, মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা বাড়ানো যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে শিশুশ্রম পরিস্থিতি, অর্জন ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তারফদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন।
জ/উ