প্রকাশ: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন জাতীয় সংসদের সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা। তারা বলেছেন, এই সফরের মাধ্যমে পারস্পরিক মর্যাদা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।
শনিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা এসব কথা বলেন। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি জানান, চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের ইতিবাচক ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে অতীতের মতো জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা আয়োজন না করার সিদ্ধান্তকে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার, জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সমস্বার্থ এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতেই সফরগুলো পরিচালিত হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
বক্তব্যের শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
জ/উ