২৫ কোটি গাছ রোপণে বছরে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনা

নিউজ ডেস্ক

জাতীয়

2026-06-23T11:50:48+06:00
2026-06-23T11:50:48+06:00
বৃহস্পতিবার ● ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
২৫ কোটি গাছ রোপণে বছরে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনা
নিউজ ডেস্ক
⏲ ১১:৫০ এএম | ২৩ জুন, ২০২৬ | মঙ্গলবার
২৫ কোটি গাছ রোপণে বছরে ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনা
দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উৎপন্ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে পারে বলে এক সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছর মেয়াদি এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর লক্ষ্য পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

জলবায়ু অর্থায়ন সংক্রান্ত বাজেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরের বনায়ন থেকে কার্বন ক্রেডিট উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিক কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থার আওতায় নির্ধারিত রোপণ এলাকা নিবন্ধন ও পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে বাণিজ্যযোগ্য কার্বন ক্রেডিটে রূপান্তর করা যায়।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শুধু বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব হতে পারে। একইসঙ্গে এটি পরিবেশগতভাবে তাপমাত্রা হ্রাস, বৃষ্টিপাতের ভারসাম্য উন্নয়ন, মাটির গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বাস্তুতন্ত্রের সহনশীলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক কার্বন বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে এই বাজারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগামী দশকগুলোতে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতে প্রধান বিনিয়োগ আসবে বেসরকারি খাত থেকে। তবে বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে পূর্ণভাবে অংশ নিতে কিছু কাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্টিকেল-৬ কাঠামো সম্পর্কে সীমিত ধারণা, আইনগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর দুর্বলতা এবং কার্বন হিসাব ও যাচাই (MRV) ব্যবস্থায় সক্ষমতার ঘাটতি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঘাটতি দূর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। কার্বন ক্রেডিট হলো এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমমানের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস বা অপসারণের একটি যাচাইকৃত একক, যা আন্তর্জাতিক বা স্বেচ্ছা বাজারে বাণিজ্য করা যায়। এই ব্যবস্থা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বনায়ন ও মিথেন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন প্রকল্পকে অর্থনৈতিক উৎসাহ প্রদান করে।


বাংলাদেশের কার্বন বাজারে পূর্ব অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ২০০৬ সালে আইডিসিওএল জাতিসংঘের অধীনে দেশের প্রথম ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) প্রকল্প নিবন্ধন করে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২.৫৩ মিলিয়ন কার্বন ক্রেডিট বিক্রি করে ১৬.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে, যা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত চুলা প্রকল্প থেকে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

জ/উ



Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত