প্রকাশ: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:৫০ পিএম

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও দেশটি টিকে থাকা এবং কূটনৈতিকভাবে অগ্রগতি অর্জন করা ওয়াশিংটনের জন্য একটি কৌশলগত ব্যর্থতার উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলি আকবর দারেইনি।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বেঁচে থাকাই সবচেয়ে বড় অর্জন, তবে ইরানের ক্ষেত্রে এটি শুধু টিকে থাকার বিষয় নয়-বরং বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির চাপ মোকাবিলার সক্ষমতারও প্রতিফলন।”
তার দাবি অনুযায়ী, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, এসব ঘাঁটি মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তার চেয়ে কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় ব্যবহৃত হয়-এমন ধারণা এখন আরও জোরালো হয়েছে।
দারেইনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ইরানের জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক সংহতি উল্লেখযোগ্যভাবে দৃশ্যমান হয়েছে, যা দেশের কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষায়, “বহিরাগত চাপ সত্ত্বেও ইরান জাতীয় পতাকার চারপাশে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।”
তিনি দাবি করেন, ইরানের অবস্থানকে দুর্বল করার যে ধারণা ছিল, বাস্তবে তা সফল হয়নি। বরং পরিস্থিতি উল্টো প্রভাব ফেলেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে তার মত।
তবে এসব মন্তব্য বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
জ/উ