প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫৫ পিএম

আইসিসির ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম (এফটিপি) এর আওতায় নেপালের মাটিতে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করে নেপাল আইসিসির কোনো পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে তাদের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। কিন্তু তারা এখনো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সফরের আয়োজন করেনি।
মার্চ মাসে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড ঘোষণা করেছে, তারা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ নেপাল (ক্যান)-এর সঙ্গে একটি পাঁচ বছরের কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ২০২৬-২৭ সালের শীতে একটি সাদা বলের সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে এই পরিস্থিতির শিগগিরই পরিবর্তন হতে পারে।
ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও নেপাল প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়েছিল। ওই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেও হেরে যায় রোহিত কুমার পৌডেলরা। ওই ম্যাচের পর নেপালের সাবেক অধিনায়ক এবং দেশটির ক্রিকেটে বোর্ডের সচিব পারস খাড়কা নেপালি ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতে ইংলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
ইসিবি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ২০২৭-৩১ এফটিপি চক্রের জন্য আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার নিয়ে কাজ করছে, যদিও চূড়ান্ত সময়সূচী এখনও নতুন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফরম্যাট নিয়ে আইসিসির-র সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। তবে প্রতি সিরিজে দুটি টেস্ট খেলার বর্তমান ন্যূনতম নিয়মটি বহাল থাকবে কি না।
ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সময়সূচি ইতোমধ্যেই ঠাসা থাকা সত্ত্বেও, ইসিবি নেপালে একটি সংক্ষিপ্ত পুরুষ দলের সফরের কথা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে, যেখানে সম্ভবত দুই বা তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ থাকবে। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি অ্যাশেজ সিরিজ থাকার কথা রয়েছে, পাশাপাশি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডও সাদা বলের ম্যাচ খেলতে সফরে আসতে পারে। এক্ষেত্রে সিরিজটির সময়সূচি নিয়ে কাজ করছে দেশটির বোর্ড কর্মকর্তারা।
নেপাল অধিনায়ক রোহিত পাউদেল এর আগে দেশে প্রধান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোকে আকৃষ্ট করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছিলেন, এই ধরনের সফর খেলাটির পরিচিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলবে। তিনি বলেন, এর অনেক গুরুত্ব থাকবে, বিশেষ করে যদি অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ড নেপালে আসে। এটি বিশ্ব ক্রিকেটকে দেখাবে যে নেপালও ক্রিকেট খেলে, এবং ভালো ক্রিকেট খেলে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"
এদিকে, ইংল্যান্ড নারী দল ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াকে আতিথ্য দেবে, যদিও এর সূচি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য প্রথম মহিলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময়ের ওপর নির্ভর করবে। এদিকে, ইংল্যান্ড নারী দল ২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াকে আতিথ্য দেবে, যদিও এর সময়সূচী শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য প্রথম নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সময়ের ওপর নির্ভর করবে।
জ/উ